1. admin@dailyprotidinervor.com : Dailyprotidinervorofficial :
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আপনার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
সর্বশেষঃ
গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ‘গেম খেলছেন’ নেতানিয়াহু: হামাস মুখপাত্র ২ বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন ইইডির প্রধান প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মনোনয়নের প্রার্থী সংখ্যাই প্রমাণ করে নারী জাগরণ ঘটেছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব মুসলিমদের হেদায়েত কামনায় শেষ হলো আখেরি মোনাজাত সাংবিধানিক ধারা মেনেই নির্বাচনে যাব : রওশন এরশাদ শেষ হলো জাতীয় ফলমেলা ২০২৪ মানিকনগরে নকশাবহির্ভূত ভবনে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান-জরিমানা কেরানীগঞ্জে নকশাবহির্ভূত ভবনে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান দক্ষিণখানে নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ করায় রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান মহাখালী ও জোয়ারসাহারায় নকশাবহির্ভূত ভবনে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান উত্তরায় রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে রাজউকের নানা উদ্যোগ ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত শতভাগ অগ্নি নিরাপদ নিশ্চিত না হলে ভবন ব্যবহার করা যাবে না: রাজউক বাংলাদেশে আরও রোহিঙ্গা প্রবেশের শঙ্কা

অনৈতিক উপায়ে অর্থ ও সম্পত্তি আদায়ে ব্যর্থ হয়ে পত্রিকায় ও অনলাইনে মিথ্যা খবর প্রচার এবং প্রচারের সহায়তার কারণে জাকী-দোলন দম্পতি কর্তৃক এস.এম শামীম ইকবাল ও কমর সারওয়াত গংদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও সাইবার সিকিউরিটি আইনে মামলা

  • আপডেট সময় সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৫১ বার দেখা হয়েছে

হাসিনা-রনি দম্পতি কমর সারওয়াত (শিমুল)এস.এম শামীম ইকবাল- এক ভয়ানক পরিকল্পিত প্রতারকের নাম। তার পুরোনাম সরকার মোহাম্মদ শামীম ইকবাল (ডাক নাম রনি)। তার জন্ম সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে এবং পিতার নাম- মোঃ আব্দুল মালেক-বাটা সু কোম্পানীর সাবেক কর্মচারী ছিলেন এবং জুতার কোম্পানীর ঋণ খেলাপীর দায়ে কারাগার বরণ করতে হয় এবং মাতা নাসরিন আক্তার- বেপোরয়া জীবন যাপনের জন্য কাজের মহিলার হাতে নিমর্মভাবে নিহত হন (অজ্ঞাত কারণে তখন তার ডেড বডি পোষ্ট মোর্টম করতে দেয়নি)।অর্থলোভী এস.এম শামীম ইকবাল উ”চাকাঙ্গায় বিয়ে করনে চট্রগ্রাম কেডিএস গ্রুপের খলিলুর রহমানের মেয়ে হাসিনা ইকবালকে। তাকে সবাই কেডিএস এর জামাই হিসাবেই জানে। শশুরের মতো শিল্পপতি হওয়ার নেশায় ব্যাংক থেকে একের পর এক লোন নিতে থাকে এবং এক পর্যায়ে ঋণ খেলাপী হয়ে কানাডায় পারি জমায়। এ নিয়ে ২৬ শে ফেব্রুয়ারি ২০২০ইং সালে শেয়ারবার্তা পত্রিকায় ঋণের দায়ে এস.এম শামীম ইকবালের (ছবি সহ) পলাতক খবর ছাপা হয়। এছাড়াও দূর্নীতি দমন কমিশনের ওয়েব সাইটে ২১ শে মে ২০১৮ইং প্রকাশিত তার অপকর্মের কথা প্রকাশ করে ডেইলীষ্টার।রূপকথা কন্সট্রাকশন লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোস্তফা নওশাদ জাকীর সাথে বন্ধুত্ব ও সখ্যতার কারণে রূপকথা কন্সট্রাকশন লিঃ এস.এম শামীম ইকবালকে পরিচালক হিসাবে নেন এবং সে পরিচালক হিসাবে আসা মাত্রই সু-কৌশলে ড. মোস্তফা নওশাদ জাকীর বিশ্বাস ও সরলতার সুযোগ নিয়ে তার স্ত্রী মিসেস হাসিনা ইকবালে কেডিএস পলি ইন্ডাষ্ট্রিজ প্রতিষ্ঠানের একাউন্টে ৭৫ লক্ষ টাকা ধার নেয়। যার সি.আর মামলা নং ১৪০৭/২০২৩(বনানী) ধারা ৪০৬, ৪২০ ও ১০৯ (দন্ডবিধি)। পরবর্তীতে ১ এক মাস যেতে না যেতেই আবারো বিশ্বাস ও সরলতার সুযোগে রূপকথা কন্সট্রাকশনের একাউন্ট থেকে আবারো ১০ লক্ষ টাকা তার ব্যক্তিগত একাউন্টে ধার নেয়। যার সি.আর মামলা নং ৪১৮/২০২৩ (বাড্ডা) অর্থাৎ দুইটিই প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা। এরপর ২০১৫ইং সালে প্রতারক এস.এম শামীম ইকবাল তার স্ত্রীকে দিয়ে ৬০ লক্ষ টাকা বিভিন্ন কিস্তিতে রূপকথা কন্সট্রাকশন লিঃ এর একাউন্টে দিলে সেই টাকা রূপকথা কন্সট্রাকশনের পরিচালকরা সম্বন্নয় করে বাকী আরো প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা এস.এম শামীম ইকবাল ও মিসেস হাসিনা ইকবাল দম্পতির কাছে দাবী করে আসছিল। এস.এম শামীম ইকবালের শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার পুরোনো কুকৃর্তির কথা জানে। তাই শ্বশুর বাড়ি এবং সমাজ ও সংসারে নিজের ভাবমুর্তি ঠিক রাখার জন্য ৬০ লক্ষ ৬৬ হাজার (আনুমানিক) টাকা রূপকথা কন্সট্রাকশন লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোস্তফা নওশাদ জাকী ও আরেক পরিচালক ডাঃ ফারহানা ফেরদৌসী দোলনের নামে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা মামলা বাড্ডা থানায় করে বসে। মামলায় এস.এম শামীম ইকবাল সুকৌশলে এড়িয়ে যায় যে, তিনিও একজন ওই কোম্পানীর পরিচালক। এর মধ্যে প্রতারক এস.এম শামীম ইকবালের সাথে কমর সারওয়াত (শিমুল) যোগাযোগ করে এবং তাদের দুইজনের স্বার্থ একই হওয়াতে তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে উঠে। সামাজিকভাবে নিজেকে চিহ্নিত প্রতারকের তকমা থেকে বাঁচানোর জন্য এস.এম শামীম ইকবাল ও কমর সারওয়াত (শিমুল) মিলে অনলাইন বিভিন্ন পত্রিকা ও কিছু দৈনিক পত্রিকায় মিথ্যা, বানোয়াট ও কুরূচিপূর্ণ নিউজ করায়। পরবর্তীতে এই অর্থলোভী এস.এম শামীম ইকবাল ও কমর সারওয়াত (শিমুল) সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রদের বিরুদ্ধে ড. মোস্তফা নওশাদ জাকী নিজে বাদী হয়ে সাইবার সিকিউরিটি আইনে মামলা দায়ের করেন যার মামলার প্রস্তুতি চলছে। কমর সারওয়াত (শিমুল) প্রায় ২৫ (পচিশ) বৎসর আগে সাব-কবলা দলিল মূলে বিক্রিত সম্পত্তি আবার আদায় করার নেশায় লোভের বশবর্তী হয়ে ড. মোস্তফা নওশাদ জাকী ও তার সহদোর ভাই রিয়াজ সাঈদের নামে মিথ্যা প্রতারনার মামলা করেন। কমর সারওয়াত শিমুল ২৫ (পচিশ) বৎসর আগে অর্থের বিনিময়ে সাব-কবলা দলিল মূলে – ড. মোস্তফা নওশাদ জাকীসহ দুই ভাইকে অর্থাৎ মোট ৩ জনকে তার সম্পূর্ণ অংশ বিক্রি করেন যার দলিল নং-৬৬২৮, তারিখ-০৫/০৭/১৯৯৮ইং। সে তার দেওয়া প্রতারণা মামলায় উল্লেখ করেন সাব-কবলা দলিলে যে স্বাক্ষর ও টিপসহি আছে সেটা তার না। পরবর্তীতে ময়মনসিংহ কোতয়ালী থানা দুই দুই বার তার ফরেনসিক রির্পোটে কমর সারওয়াত (শিমুল) এর স্বাক্ষর ও টিপসহি ২৭/১২/২০২২ইং তারিখে সি.আই.ডি(বাংলাদেশ পুলিশ) মিল পায়- এতে প্রশাসন ও ময়মনসিংহ বাসী তার এহেন সম্পদ পাওয়ার লালসায় অভিনব প্রতারণা ও আত্মসাতের উদ্দেশ্য দেখে বিষ্মিত হোন। শুধু তাই নয়, পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসন আরোও জানতে পারেন যে ২০৩নং দলিলটি কমর সারওয়াত (শিমুল) বাতিল চেয়ে ড. মোস্তফা নওশাদ জাকী গংদের বিরুদ্ধে যে প্রতারণার মামলা করেছে সেটি (দলিলে উল্লেখিত ঠিকানা) তার তৎকালীন ঢাকা¯’ ধানমন্ডির নীজ বাসভবনে হয়েছে।

এই মামলায় ময়মনসিংহ কোতয়ালী থানা বলে- কমর সারওয়াত শিমুলের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে ২/১১ উল্টো মামলা হওয়াটা সময়ের ব্যাপার। একজন এস.এম শামীম ইকবাল রূপকথা কন্সট্রাকশনের সর্বমোট ৮৫ লক্ষ টাকা ফেরৎ না দিয়ে প্রতারণার উদ্দেশ্যে আত্মসাত করে উল্টো শ্বশুর বাড়ি ও স্ত্রী হাসিনা ইকবালের কাছে ভালো থাকার জন্য ড. মোস্তফা নওশাদ জাকী ও ডাঃ ফারহানা ফেরদৌসী দোলন এর নামে প্রতারণার মামলা করেন আর অন্যজন কমর সারওয়াত (শিমুল) বিক্রিত সম্পতি ড. মোস্তফা নওশাদ জাকী গংদের কাছে সাব-কবলা রেজিষ্ট্রি করে সেই সম্পদ জাল ও ভূয়া বলে উল্টো ড. মোস্তফা নওশাদ জাকী ও তার সহোদর ভাইয়ের নামে মামলা দায়ের করে। এই দুই প্রতারক এক হয়ে অর্থ ও সম্পদ পাওয়ার অনৈতিক বাসনায় ড. মোস্তফা নওশাদ জাকী ও ডাঃ ফারহানা ফেরদৌসী দোলন দম্পত্তির চরিত্র হরণের এহেন কোন কাজ নাই তারা চেষ্টা করে যাচ্ছে। এস.এম শামীম ইকবাল (রনি) ও কমর সারওয়াত (শিমুল) জুটি এক হয়ে জাকী-দোলন দম্পত্তির অর্থ ও সম্পদ না দিলে দেখে নিবে বলেও হুমকি দেয়।এই প্রতারক জুটি অনলাইন পত্রিকায় এহেন মিথ্যা তথ্য লিখান যে ড. মোস্তফা নওশাদ জাকী আয়ুশ লিঃ এর মালিক এবং অবৈধ অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক ঔষধ তৈরী করে এবং গাজীপুরে তাহার নামে মামলা আছে। প্রকাশিত সম্পূর্ণ তথ্যটি মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত হওয়াতে- শামীম- শিমুল প্রতারক চক্রটির নামে সাইবার সিকিউরিটি এ্যাক্টে মামলা করা হয়েছে।বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতি শেখ মোঃ জাকির হোসেন এবং বিচারপতি এ.কে.এম জহিরুল হক যেখানে বিগত ২৪/০৭/২০২৩ইং তারিখে কেস নং-৪৮৪২৪ এর রায়ে বলেন- ড. মোস্তফা নওশাদ জাকীকে ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং পর্যন্ত সসম্মানে আগাম জামিন প্রদান দেওয়া হয়েছে সেখানে অনলাইনের কিছু পত্রিকা ৩০ ও ৩১ই আগস্ট এই বলে মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেন যে, দীর্ঘদিন ড. মোস্তফা নওশাদ জাকী পলাতক থাকার পর গ্রেফতার হয়ে কারাগারে। ড. মোস্তফা নওশাদ জাকী ব্যবসায়িক শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এর একজন সম্মানিত মেম্বার, তিনি বাংলাদেশ আয়ুর্বেদ ফাউন্ডেশনের জেনারেল সেক্রেটারী সহ দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জড়িত এবং ময়মনসিংহ আয়ুর্বেদ মেডিক্যাল কলেজের দীর্ঘদিন ধরে সভাপতির দায়িত্বে আছেন। এছাড়াও তিনি একজন উচ্চশিক্ষিত ও বাংলাদেশ আয়ুর্বেদ ঔষধ শিল্পের নীতি নির্ধারণ পর্যায়ের নেতৃত্বে আছেন এবং ডাঃ ফারহানা ফেরদৌসী দোলন একজন স্বনামধন্য ডেন্টিস্ট হিসাবে প্রায় ২০ বৎসর যাবৎ ডেন্টাল স্টুডিও নামে একটি প্রতিষ্ঠান সুনাম ও সততার সাথে গুলশানে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত। দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি সমাজের গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ ও বিদেশী কুটনৈতিকদের সুনামের সাথে সেবা দিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে আসছে। একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র এই দোলন-জাকী দম্পতির মধ্যে সর্ম্পকের অবনতি ও অনৈতিক অর্থ আদায়ের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে চক্রান্ত করে আসছিল। অন্য কোন পথ না পেয়ে মিথ্যা প্রতারণার মামলা দেয় ও সামাজিকভাবে এই দম্পতির মান-সম্মান ক্ষুন্ন করার মিথ্যা প্রয়াস চালায়।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরও খবর