1. admin@dailyprotidinervor.com : Dailyprotidinervorofficial :
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আপনার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
সর্বশেষঃ
গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ‘গেম খেলছেন’ নেতানিয়াহু: হামাস মুখপাত্র ২ বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন ইইডির প্রধান প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মনোনয়নের প্রার্থী সংখ্যাই প্রমাণ করে নারী জাগরণ ঘটেছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব মুসলিমদের হেদায়েত কামনায় শেষ হলো আখেরি মোনাজাত সাংবিধানিক ধারা মেনেই নির্বাচনে যাব : রওশন এরশাদ শেষ হলো জাতীয় ফলমেলা ২০২৪ মানিকনগরে নকশাবহির্ভূত ভবনে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান-জরিমানা কেরানীগঞ্জে নকশাবহির্ভূত ভবনে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান দক্ষিণখানে নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ করায় রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান মহাখালী ও জোয়ারসাহারায় নকশাবহির্ভূত ভবনে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান উত্তরায় রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে রাজউকের নানা উদ্যোগ ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত শতভাগ অগ্নি নিরাপদ নিশ্চিত না হলে ভবন ব্যবহার করা যাবে না: রাজউক বাংলাদেশে আরও রোহিঙ্গা প্রবেশের শঙ্কা

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত
রমজানে স্কুল খোলা থাকবে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা না রাখা নিয়ে হযবরল অবস্থা

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪
  • ৩৫ বার দেখা হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট

রোজায় দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করে দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি করে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। সর্বোচ্চ আদালতের এ সিদ্ধান্তের ফলে রোজার প্রথম ১০ দিন প্রাথমিক ও মাদ্রাসা এবং ১৫ দিন মাধ্যমিক স্কুল খোলা থাকবে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।
হাইকোর্টের নির্দেশনার কারণে স্কুল খোলা রাখা না রাখা নিয়ে মঙ্গলবার সারা দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় হযবরল অবস্থা সৃষ্টি হয়। আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে স্কুল খোলা থাকলেও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ছিল কম। এছাড়া এদিন এসএসসি পরীক্ষা থাকায় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে স্কুল খোলা রাখা হয়েছিল।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী রমজানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু হাইকোর্টের স্কুল বন্ধ রাখার আদেশের পর দুই মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা বা বন্ধ রাখার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি। এ কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিপাকে পড়তে হয়। মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম সাইফুল আলম।
রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী একেএম ফয়েজ। সঙ্গে ছিলেন রিটকারী অ্যাডভোকেট মাহমুদা খানম।
শুনানির শুরুতে অ্যাটর্নি জেনারেল রোজায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার পক্ষে যুক্তি দেখাতে গিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশের উদাহরণ তুলে ধরেন এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের কপি আদালতে উপস্থাপন করেন।
তিনি বলেন, সৌদি আরবে ২৮ মার্চের আগ পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। ২৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ইরানে বন্ধ থাকবে মাত্র দুদিন। এছাড়া তিনি তুরস্ক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, মালয়েশিয়াসহ আরও কয়েকটি রাষ্ট্রের উদাহরণ দেন। এরপর শুনানিতে অ্যাডভোকেট একেএম ফয়েজ এলে তাকে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, কী কারণে তারা বিদ্যালয় বন্ধ রাখতে চান।
আইনজীবী ফয়েজ বলেন, ‘আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিত ভিন্ন। আমাদের দেশে শিশুদের সঙ্গে অভিভাবকরাও জড়িত। তাদেরও ভোগান্তি হয়।’ তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘কেন? মায়েরা তো শাড়ি পরে ঘুরে বেড়ান।’ এরপর তিনি হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত ঘোষণা করেন।
আগের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরও রমজান মাস বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকায় ছিল। রোজায় স্কুল বন্ধ রাখতে এ বছরের ছুটির তালিকায় ১০ মার্চ থেকে মাধ্যমিক ও নিু মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা ছিল। আর ১১ মার্চ থেকে ছুটি শুরু হওয়ার কথা ছিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তবে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণ করতে ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করে রোজায় বিদ্যালয়ে ক্লাস চালুর রাখার সিদ্ধান্ত জানায় সরকার।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ৮ ফেব্রুয়ারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণ করতে রোজার প্রথম ১০ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চালু রাখা হবে। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ১১ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।
তাদের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন আইনজীবী মাহমুদা খানম। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রোববার হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রুল দিয়ে পবিত্র রমজানের প্রথম ১০ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সরকারি-বেসরকারি নিু মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম ১৫ দিন চালু রাখার সিদ্ধান্ত ২ মাসের জন্য স্থগিত করেন। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে, যা সোমবার চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। চেম্বার আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটি মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। সে অনুসারে আবেদনের ওপর মঙ্গলবার শুনানি হয়। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
গাজীপুর : সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মঙ্গলবার খোলা থাকলেও বন্ধ কবে থেকে, ক্লাস আদৌও চলবে কিনা এসব বিষয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। ফলে বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষার্থী উপস্থিতির সংখ্যা কম ছিল। জয়দেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক শিল্পী রানী বলেন, আমরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছি, একবার শুনি বন্ধ, আবার শুনি চালু।
গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ শহরের শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে দেখা গেছে। স্কুল বন্ধের বিষয়ে তাদের নোটিশ না করায় প্রতিদিনের মতো তারা স্কুলে যাচ্ছে বলে তারা জানায়। এ ছাড়া জেলার পাঁচটি উপজেলায় সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা ছিল।
টাঙ্গাইল ও মধুপুর : শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাস চলেছে। তবে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষা চলায় কোনো ক্লাস চলেনি। মধুপুরের ১১০টির প্রাথমিকের সব বিদ্যালয় চালু ছিল। তবে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ছিল কম। স্থানীয় শিক্ষা অফিস থেকে ক্লাস্টার ভিত্তিক দায়িত্ব প্রাপ্তরা শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের ফেসবুক পেজ, গ্রুপে রমজানে বিদ্যালয় চালু রাখার পূর্ববর্তী নির্দেশনার চিঠি দিয়ে বিদ্যালয় কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহ ও ত্রিশাল : নগরীর বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায় শিক্ষার্থী উপস্থিতি খুবই কম। তবে স্কুল বন্ধ থাকবে এ নির্দেশনা ছিল না। স্কুল খোলা থাকবে কি থাকবে না, এটা নিয়েও ধূম্রজালে ছিলেন অভিভাবকরা। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকেও স্কুল প্রধানদের কাছে কোনো নির্দেশনা ছিল না বলে জানা গেছে। ত্রিশাল আব্বাসিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফজলুল হক বলেন ক্লাস বন্ধের কোনো নির্দেশনা আমরা পাইনি।
বুড়িচং (কুমিল্লা) : সরেজমিন দেখা গেছে উপজেলার সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূর্বের মতো যথারীতি শিক্ষকরা ক্লাস নিচ্ছেন। আরাগ আনন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একই ক্যাম্পাসে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে গিয়ে দেখা গেছে, ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষকরা।
চুয়াডাঙ্গা : জেলা শহরের ঝিনুক পিদ্যাপীঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় ২০৮ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়েছে মাত্র ৩৬ জন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেফালী খাতুন জানান, রোজার কারণে আজ ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতি খুবই কম। ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় ছাত্রী উপস্থিতি খুবই কম। ১০ম শ্রেণিতে দেখা যায় ২০ জন উপস্থিত। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা জানান, ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ১০১ জন।
বাঘা (রাজশাহী) : উপজেলার অধিকাংশ স্কুলে রুটিন অনুযায়ী ক্লাস হয়েছে। দিঘা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ জহুরুল ইসলাম বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা মানব না শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। শিক্ষার্থীরা স্কুলে এসেছে, আমরা ক্লাস নিয়েছি।
লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) : উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, মাউশি থেকে আমরা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কোনো নোটিশ পাইনি তাই আপাতত খোলা রাখতে বলেছি।
পাইকগাছা (খুলনা) : পাইকগাছা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, এ বিষয়ে সরকার আপিল করেছে। এ কারণে স্কুল খোলা রাখা হয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজান আলী শেখ ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা একই সুরে কথা বলেন।
সিংড়া (নাটোর) : সকালে সিংড়া দমদমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটি শ্রেণিতে পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমেছে। ওই প্রতিষ্ঠানে দাঁড়িয়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রমজান মাসে প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলে রোজা ও কুরআন তেলাওয়াতে কিছুটা সমস্যা হয়। আর এই কারণে অনেকেই বিদ্যালয়ে আসতে চায় না।
রামগড় (খাগড়াছড়ি) : সকালে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে এলে শিক্ষকরা তাদের ক্লাস নেন। প্রতিদিনের মতোই রুটিন অনুযায়ী ক্লাস শেষ করে প্রতিষ্ঠানগুলো।
মনপুরা ও বোরহানউদ্দিন (ভোলা) : মনপুরা উপজেলায় মাধ্যমিক স্কুল ও প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রেখে চলে ক্লাস। তবে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ক্লাস করানোর পর ছুটি দেওয়া হয়। বোরহানউদ্দিন আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও উপজেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীন সভাপতি আহ্ম্মদ উল্যাহ আনসারী জানান, তারা জেলা মাধ্যমিক অফিস কিংবা উপজেলা মাধ্যমিক অফিস থেকে প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কোনো নির্দেশনা পাননি, তাই তারা প্রতিষ্ঠান খোলা রেখেছেন।
ফেনী : পিটিআই সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ছিল খোলা। অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থীরা স্কুলে হাজির থাকলেও শিক্ষকদের অবস্থান ও ক্লাসের পরিবেশ ছিল ঢিলেঢালা। ক্লাসে অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী হাজির থাকলেও শিক্ষক তালিকায় সাতজনের নাম লেখা থাকলেও বেলা ১১টায় দেখা মিলেছে চার শিক্ষকের। এতে করে ক্লাসের পরিবেশ ছিল এলোমেলো।
নলছিটি (ঝালকাঠি) : উপজেলার নান্দিকাঠি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, যথারীতি ক্লাশ চলছে। শিক্ষকরা ক্লাস নিচ্ছেন। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পাঠদান করছেন মো. মাইনুল ইসলাম। এ শ্রেণিতে উপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৭ জন, ৭ম শ্রেণিতে ক্লাস নিচ্ছেন, মো. মিরাজ হোসেন। উপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫ জন, ৮ম শ্রেণিতে ক্লাস নিচ্ছেন মো. মাসুদ সরকার, উপস্থিত শিক্ষার্থী ২৪ জন। নবম শ্রেণিতে ক্লাস নিচ্ছেন একরামুল করিম মিঠু, উপস্থিত শিক্ষার্থী ২৪ জন, ১০ম শ্রেণিতে পাঠ দান করছেন শিক্ষিকা রিনা রানী দাস। এ শ্রেণিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩২ জন।
দুমকি (পটুয়াখালী) : দুমকির সৃজনী বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, মন্ত্রণালয়ের কোনো নির্দেশনা না পেয়ে আমরা স্কুল খোলা রেখেছি। সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আমাদের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি তাই উপজেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা ছিল।
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) : সরেজমিন পাথারিয়া গাংকুল মনসুরিয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন ক্লাসে অতি নগণ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান করছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষিকা। কোনো কোনো ক্লাসে ১-২ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।
দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) : দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রোজার প্রথম দিন যথারীতি ক্লাস করেছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র।
পিরোজপুর : ‘আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন, তাই যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের নির্দেশনা না পাই ততক্ষণ আমরা রোজায় বিদ্যালয় খোলা রেখে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চালিয়ে যেতে চাই’-এভাবেই কথাগুলো বললেন পিরোজপুর জেলা শহরের কিয়ামউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফিরোজা আক্তার।
হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) : উপজেলার প্রায় সব প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল খোলা। তবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল কম। সকালে উপজেলার মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত রয়েছে। প্রধান শিক্ষক আবু সাদেক জানান, কর্তৃপক্ষ থেকে কোনো চিঠি পাইনি তাই স্কুল খোলা। এ ছাড়াও উপজেলার প্রায় সব প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা ছিল বলে খবর পাওয়া গেছে।

 

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরও খবর